কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের হাঁসুয়ার আঘাতে বড় ভাই রাশেদ আলী (৩৫) নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাড়াদী গ্রামের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশেদ আলী ওই এলাকার রবিউল শেখের ছেলে। তিনি পেশায় ফেরি করে ছিটকাপড় বিক্রি করতেন। এ ঘটনার পর থেকেই ছোট ভাই জহুরুল ও তার পরিবার পলাতক রয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাশেদ গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন। এরপর থেকে তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে ছোট ভাই জহুরুল তার বড় ভাই রাশেদের ওপর হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, রাশেদকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে ঘাটক ছোট ভাই পলাতক আছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
নিহত রাশেদ আলী ওই এলাকার রবিউল শেখের ছেলে। তিনি পেশায় ফেরি করে ছিটকাপড় বিক্রি করতেন। এ ঘটনার পর থেকেই ছোট ভাই জহুরুল ও তার পরিবার পলাতক রয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাশেদ গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন। এরপর থেকে তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে ছোট ভাই জহুরুল তার বড় ভাই রাশেদের ওপর হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, রাশেদকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে ঘাটক ছোট ভাই পলাতক আছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
অনলাইন ডেস্ক